এইচ এম মিলন,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের ডাসারে একটি কাঠের ব্রিজের বেহাল দশার কারণে চরম ভোগান্তি পড়েছে সাধারন মানুষ। এ কাঠের ব্রীজটি ভেঙ্গেচুরে যাওয়ায় পারাপারে এখন মড়ন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ১০ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। এ ব্রীজটি পার হতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। শুক্রবার সকালে সরেজমিন সুত্রে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের শশিকর চৌমহনীস্থানে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় একযুগ আগে নির্মিত সেতুটি লোহার খুটি হেলে পড়ে। নবগ্রাম, শশিকর, চলবল ও দক্ষিনচলবল, কোমলাপুরসহ ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করে আসছে এ ঝুকিপূর্ণ ব্রীজের উপর দিয়ে। সেতুটির উপর অংশের পাটাতনের কিছু কাঠ পঁচে ধসে পরেছে।সেতুটির উপরের নেই কোন রেলিং। যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় সেতুটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখাগেছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এছাড়া জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে মোটর চালিত ভ্যান, অটোরিকশা, মটর সাইকেলে চলাচল করছে হাজারো মানুষ। জনসাধারণের চলাচলের একটি মাধ্যম সেতুটি এখন জনদূর্ভোগে রুপ নিয়েছে।সেতুটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা সুজন মজুমদার জানান,”আমাদের শশিকরের চৌমুহনী ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কাঠের ব্রিজটি হেলে গেছে। উপরের পাটাতনের কাঠ ধসে পড়েছে। যে কোন সময় ব্রিজটি ভেঙে খালে পড়ে যেতে পারে। যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন কাঠের ব্রিজটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই বাধ্য হয়েই পারাপার হতে হচ্ছে। ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানাই।”এবিষয়ে নবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দুলাল তালুকদার বলেন, “ব্রিজটি অনেক পুরোনো।উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে ব্রিজটির লোহার পিলার খালের মধ্যে নুয়ে পড়ছে। উপরের পাটাতনের কাঠও ঠিক মত নেই। গ্রামের হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। নতুন একটি ব্রিজ দরকার। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে বিষয়টি জানিয়েছি।এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল করিম বলেন,”ইতোমধ্যে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত পাশ হয়ে আসবে।

 

* সর্বশেষ  গুরুত্বপূর্ণ  সব  সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লেখা পেতে আমাদের  ফেসবুক পেইজে  লাইক  দিয়ে  অ্যাকটিভ  থাকুন।  ভিজিট করুন : http://www.etihad.news

* অনলাইন  নিউজ পোর্টাল  ইত্তেহাদ নিউজে  লিখতে  পারেন  আপনিও লেখার বিষয়  ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি প্রকৃতি আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন  [email protected] ঠিকানায়