মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি  : আমার অর্জন ও সুনাম যারা কোনোদিনই সহ্য করতে পারেনি, তবুও তাদের আমি সাধ্যমতো সহযোগিতা ও সম্মান করে আসছি। কিন্তু তারা ঠিকই সুযোগ বুঝে আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামিয়ে দিচ্ছে। আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুন।

সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে এসব কথা লিখেছেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর নিজের সুনাম ও খ্যাতি নষ্ট করার জন্য স্বার্থপর কিছু মানুষের মিথ্যা অপবাদ ও অত্যাচার সহ্যের কথা জানিয়ে মমতাজ বেগম এ স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেছেন-নিজের খ্যাতিটাও মাঝে মাঝে গলার কাঁটা মনে হয়। সুনাম নষ্ট হবে এই ভয়ে মুখ বুজে কত যে অত্যাচার সহ্য করতে হয়, তা আমি আর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। যা কিছু অর্জন করেছি তা আমার অনেক কষ্টের অর্জন। মা-বাবা, পির-মুর্শিদের দোয়াও আছে।

আমার এ অর্জনের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির হাত না থাকলেও আজ সেটাকে ধ্বংস করতে কতিপয় কিছু ব্যক্তি উঠেপড়ে লেগেছে। যারা কোনোদিনই আমার সুনাম, খ্যাতি, অর্জন, ভালো থাকা কোনোভাবেই সহ্য করতে পারেনি, তবুও আমি আমার সাধ্যমতো তাদের সম্মান ও সহযোগিতা করে আসছি। কিন্তু লাভ হয়নি! সুযোগ বুঝে ঠিকই আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামিয়ে দিচ্ছে। কষ্টটা হলো আমি যা না, আমি যা করিনি সেই অপবাদ আমাকে দিচ্ছে শুধু কিছু অর্থ স্বার্থের বিনিময়ে। আমি জানি সত্যটা ঠিকই একদিন এ দেশের মানুষ জানবে শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। আল্লাহ তুমি এ স্বার্থপর মানুষগুলোকে হেদায়েত দান করো।

সামাজিক মাধ্যমে মমতাজ বেগমের স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়ে পড়লে শুভাকাক্সক্ষী ও ভক্তরা তাকে সহমর্মিতা ও সাহস জুগিয়ে ধৈর্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে টানা দুবার জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ-সদস্য ও একবার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শিল্পপতি দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর কাছে ৬ হাজার ১৭১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।

 

* সর্বশেষ  গুরুত্বপূর্ণ  সব  সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লেখা পেতে আমাদের  ফেসবুক পেইজে  লাইক  দিয়ে  অ্যাকটিভ  থাকুন।  ভিজিট করুন : http://www.etihad.news

* অনলাইন  নিউজ পোর্টাল  ইত্তেহাদ নিউজে  লিখতে  পারেন  আপনিও লেখার বিষয়  ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি প্রকৃতি আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন  [email protected] ঠিকানায়