জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি (ডিএসএ) এতটাই নিপীড়ন ও নিবর্তনমূলক আইন যে এটা করাই হয়েছে মানুষকে হয়রানি করার জন্য। এটা সরকার পরিবর্তন করছে, আগের আইন বাতিল নয়।
পরিবর্তন হলেও ডিএসএর ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৩২ ধারা থাকছেই। ২৮ ধারায় সাজা কমানো হয়েছে। ২৯ ধারায় মানহানির জন্য কারাদণ্ডের পরিবর্তে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। ৩১ ধারায় কারাদণ্ড ৭ বছর থেকে ৫ বছর করা হয়েছে। ৩২ ধারায়ও সাজার পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা বিলোপ করে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এখন নাম পরিবর্তন করে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট করা হচ্ছে। ধারা বহাল রেখে নাম পরিবর্তন কেবল পাত্র পরিবর্তন করার মতো। এটা হলে যারা ভুক্তভোগী সাধারণ নাগরিক, তারা কোনোভাবে উপকৃত হবে না।
আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি করেছিলাম। এখন নতুন আইন করার আগে অংশীজনদের মতামত নেওয়া উচিত।নাগরিকদের প্রয়োজনে আইন হলে নিজেরা টেবিল ওয়ার্ক করে সচিবদের দিয়ে কেন? পাস করার আগে খসড়া প্রকাশ করে সবার মতামত নেওয়া উচিত। আইন তো নাগরিকদের প্রয়োজনে। মনে হচ্ছে, সরকার তার প্রয়োজনে আইন পাস করছে।
ইত্তেহাদ নিউজ, এয়ার পোর্ট রোড, আবুধাবী ,সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইমেইল: [email protected], web:www.etihad.news
এম এম রহমান, প্রধান সম্পাদক, ইত্তেহাদ নিউজ, এয়ার পোর্ট রোড, আবুধাবী, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রকাশিত ও প্রচারিত