ইত্তেহাদ নিউজ,অনলাইন : ভোটের মাঠের জোটের আসন জটিলতার ইতি টানতে চায় বিএনপি। যে আসনে শরিক প্রার্থীদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সব আসনে ছাড় দেওয়া এবং আলোচনা শেষে শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। পাশাপাশি শরিকদের আসনে ঘোষিত অন্তত তিনটি আসনে প্রার্থীদের পুনর্বিবেচনার চিন্তাও করছে হাইকমান্ড।

 সোমবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে। বিএনপির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে এসব তথ্য।

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৭২ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপে ৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দলটি। এর একদিন পর মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থিতা স্থগিত করে দলটি। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে। দ্বিতীয় ধাপে প্রার্থী ঘোষণায় অন্তত ৪ আসনে সমমনাদের মনোনয়ন-বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। এর মধ্যে বিএনপি অন্তত ৩টি আসনে প্রার্থী পুনর্বিবেচনার চিন্তা-ভাবনা করছে বলে দলীয় সূত্র জানায়।

দ্বিতীয় ধাপে প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘ ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে শরিকদের সঙ্গে আলোচনার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা দুই-একদিনের মধ্যে শরিকদলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত রিপোর্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান তারেক রহমানের কাছে জমা দেবেন।

এর অংশ হিসেবে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক করবে বিএনপি। এছাড়া দ্রুততম সময়ে পর্যায়ক্রমে গণতন্ত্র মঞ্চ ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সঙ্গেও বসবে দলটি। বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেশে রেখে চিকিৎসা, এক কোটি প্রবাসীর ভোটাদান ও ব্যালেট পেপার ছাপানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, স্থায়ী কমিটি বৈঠকে কোনো কোনো সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এবার ধানের শীষ প্রতীকে জোট শরিকরা ভোট করতে পারবেন না। এতে শরিক দলের অপরিচিত মার্কা নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচন করলে জয়ী হয়ে আসতে বেগ পেতে হবে। শুধু আসন ছাড়লেই হবে না, তাদেরকে জিতিয়েও আনতে হবে। দলটি চায় না, মিত্রদের জন্য ছাড়া আসন জামায়াতের কাছে চলে যাক। একইসঙ্গে জোটের ঐক্যও টিকিয়ে রাখতে চান তারা। কোনো কোনো সদস্য মতামত দেন, শরিক নেতাদের মধ্যে যাদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, তাদেরকে আসন ছাড় দেওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে জোটের প্রার্থীদের এলাকায় জনপ্রিয়তা, নিজস্ব পরিচিতি ও গ্রহনযোগ্যতা বিবেচনায় করেই বাছাই করার পরামর্শ দেন কেউ কেউ।

 

 

সর্বশেষ  গুরুত্বপূর্ণ  সব  সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের  ফেসবুক পেইজে  লাইক  দিয়ে  অ্যাকটিভ  থাকুন।  ভিজিট করুন : http://www.etihad.news

অনলাইন  নিউজ পোর্টাল  ইত্তেহাদ নিউজে  লিখতে  পারেন  আপনিও। লেখার বিষয়  ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন  [email protected] ঠিকানায় ।