ইত্তেহাদ অনলাইন নিউজ ডেস্ক : পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্টেনোগ্রাফার পদে যোগদান করেছিলেন জহিরুল ইসলাম। পদোন্নতি পেয়ে এখন হয়েছেন নাজির। একই কর্মস্থলে দীর্ঘ বছর থাকার সুবাদে জামিন এবং বদলী তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে জহিরের বিরুদ্ধে। তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বটকাজল গ্রামে। বাবার নাম আব্দুর রব বিশ্বাস। এলাকায় বিশ্বাস পরিবার আওয়ামী ঘরোয়ানার বলে খ্যাত। আয় বহির্ভূত প্রায় শতকোটি টাকার সম্পদের বিরুদ্ধে দুদকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগসহ নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডার মামলার বিতর্কিত সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বিশ্বাস। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী শাসনামলে আনিসুর রহমানের নাম ভাঙিয়ে এবং প্রভাব খাটিয়ে জহির বীরদর্পে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারী চাকুরীর বিধান লঙ্ঘন করে জহির জেলা ও দায়রা জজের ভাই বলে একই কর্মস্থলে চাকরীর শুরু থেকে।
আরও পড়ুন:
বাউফলে স্বৈরাচারের দোসর সেই কামাল’র হাজতবাস
তৃতীয় শ্রেণির এই কর্মচারী কিভাবে জামিন এবং বদলী তদবির বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ভুক্তভোগীদের কাছে। শনিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৫) সন্ধ্যা রাতে পটুয়াখালীর কালিকাপুর এলাকা থেকে বিষ্ফোরক মামলায় অভিযুক্ত বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক, নওমালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন রোববার সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে প্রেরণ করেন। এরপর থেকেই নাজির জহির কামালকে জামিন পাইয়ে দিতে হন্য হয়ে তদবিরে লিপ্ত রয়েছে বলে একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে। জহিরের এহেন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট আদালতের আইনজীবীসহ সুশীল সমাজ তার কর্মকাণ্ডে ধিক্কার জানিয়ে তাকে অন্যত্র বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে রাজি নয় বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। ভিজিট করুন : http://www.etihad.news
* অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইত্তেহাদ নিউজে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায় ।