বরিশাল অফিস বরিশাল কাশিপুর ইসলামি চক্ষু হাসপাতালে চোখের ছানী অপারেশন করাতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আব্দুল হাই তালুকদার। গত ২৬ জুলাই অপারেশনের পরপরই তার শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায়। হাসপাতালে তেমন কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় এক পর্যায়ে রোগীকে শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। শেবাচিমে ভর্তির কিছু সময় পরই মৃত্যূর কোলে ঢলে পড়েন আঃ হাই তালুকদার। তার গ্রামের বাড়ি উজিরপুরের মশাং ইউনিয়নের চকমান গ্রামে।

রোগীর পুত্র মিজানুর রহমান বলেন, চক্ষু অপারেশন করাতে গিয়ে মৃত্যু হয় আগে কখনো শুনিনি। আমার বাবার অপারেশনের কিছুক্ষণ পরই শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। ইসলামী চক্ষু হাসপাতালে এটা ম্যানেজমেন্টের তেমন ব্যবস্থা না থাকায় শেবাচিমে রেফার্ড করা হয়। সেখানে ভর্তির তিন ঘন্টার মধ্যেই আব্বা মারা যান। সামান্য চোখের অপারেশন করাতে গিয়ে পিতাকে চিরতরে হারালাম।
অভিযোগ রয়েছে এই অপারেশনে প্রধান চক্ষু সার্জন না থেকে সহকারী দিয়ে অপারেশন করানো হয়েছে। তাছাড়া এ্যাজমা রোগীকে লোকাল দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও তা দেওয়া হয়। অপারেশন পরবর্তি জটিলতার চিকিৎসায় হাসপাতালটিতে কোন ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা নেই। এত দুর্বলতার পরেও তারা অপারেশন করার লাইসেন্স পেল কিভাবে এই প্রশ্ন ভুক্তভোগীদের।

এসব বিষয়ে ইসলামি চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজার জহিরুল ইসলাম উজ্জল বলেন, এখানে তার অপারেশন হয়েছিল। পরবর্তিতে শ্বাসকষ্ট বাড়লে শেবাচিমে পাঠানো হয়। ওখানে ঐ রাতেই সে মারা যায়।

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে ইসলামি চক্ষু হাসপাতালের মালিক সরোয়ার হোসেন বলেন, ঐ সময়ে আমার জ্বর ছিল। তাই আমি তখন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলামনা। তবে সহকারী দিয়ে অপারেশন করানোর প্রশ্নই ওঠেনা। তাছাড়া লোকাল কেন দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে ডাক্তার বলতে পারবে, আমি বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল এর মোবাইলে কল করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

 

সর্বশেষ  গুরুত্বপূর্ণ  সব  সংবাদ, ছবি ,অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও লেখা পেতে আমাদের  ফেসবুক পেইজে  লাইক  দিয়ে  অ্যাকটিভ  থাকুন।  ভিজিট করুন : http://www.etihad.news

* অনলাইন  নিউজ পোর্টাল  ইত্তেহাদ নিউজে  লিখতে  পারেন  আপনিও। লেখার বিষয়  ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন  [email protected] ঠিকানায়